Bengal scientists have developed new 4 variety of paddy says Mamata Banerjee
WB Rice Veriety: বন্যার জলে জমি ভেসে গেলেও টিকে থাকবে ইরাবতী, বাঙালি বিজ্ঞানীদের গবেষণায় কৃষিতে বিপ্লব বাংলায়. WB Rice Veriety: বন্যার জলে জমি ভেসে গেলেও টিকে থাকবে 'ইরাবতী', বাঙালি বিজ্ঞানীদের গবেষণায় কৃষিতে বিপ্লব বাংলায়.
WB Rice Veriety: বন্যার জলে জমি ভেসে গেলেও টিকে থাকবে ইরাবতী, বাঙালি বিজ্ঞানীদের গবেষণায় কৃষিতে বিপ্লব বাংলায়... WB Rice Veriety: বন্যার জলে জমি ভেসে গেলেও টিকে থাকবে 'ইরাবতী', বাঙালি বিজ্ঞানীদের গবেষণায় কৃষিতে বিপ্লব বাংলায়... WB Rice Veriety: রাজ্যের পশ্চিমাঞ্চলে পশ্চিম মেদিনীপুর, পুরুলিয়া ও বাঁকুড়ার মতো খরাপ্রবণ অঞ্চলের জন্য ‘সুভাষিণী’, ‘লছমন্তি’ ও ‘মুসাফির’ নামে তিনটি প্রজাতি রয়েছেবর্ষার ধানের পাশাপাশি রাজ্যের বহু জেলায় এখন চাষ হচ্ছে গরমের ধান। এই ধানকে আমরা সাধারণত বোরো ধান বলেই চিনি। ফলনে বেশি। খুব কময় সময়ে পেকে যায় এই মরসুমের ধান। বাজারে যে সরু চাল দেখি তা মূলত এই বোরো ধানের চাল। রাজ্যে ধান চাষ নিয়ে মঙ্গলবার এক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি, আমাদের কৃষি দপ্তর রাজ্যের আবহাওয়া/ জলবায়ুর উপযোগী চারটি নতুন ভ্যারাইটির উচ্চফলনশীল ধান উদ্ভাবন করেছে। পুরুলিয়ার খরা প্রতিরোধ গবেষণা কেন্দ্র এবং চুঁচুড়ার ধান গবেষণা কেন্দ্রে দীর্ঘ কয়েক বছরের গবেষণার পর এই প্রজাতিগুলি তৈরি করা সম্ভব হয়েছে। আমি এই…মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায় তাঁর সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট করা একটি পোস্টে জানিয়েছেন, রাজ্যের কৃষি দফতর বাংলার আবহাওয়া ও জলবায়ু উপযোগী ৪টি নতুন উচ্চ ফলনশীল ধান উদ্ভাবন করেছে। পুরুলিয়ার খরা প্রতিরোধ গবেষণা কেন্দ্র এবং চুঁচুড়ার ধান গবেষণা কেন্দ্রে দীর্ঘ কয়েক বছরের গবেষণার পর এই প্রজাতিগুলি তৈরি করা সম্ভব হয়েছে। আমি এই কাজের সঙ্গে যুক্ত বিজ্ঞানী-সহ সকলকে আমার আন্তরিক অভিনন্দন জানাই। উল্লেখ্য, বাংলার আবহাওয়া চরমভাবাপন্ন না হলেও রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে কোথাও জলের অভাব রয়েছে, কোথাও আবার নোনা জল বা নীচু জমির জন্য ধান চাষে প্রবল সমস্যা হয়ে থাকে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছন, যে নতুন ৪টি নতুন ভ্যারাইটির ধান উদ্ভাবন হয়েছে তার মধ্যে রাজ্যের পশ্চিমাঞ্চলে পশ্চিম মেদিনীপুর, পুরুলিয়া ও বাঁকুড়ার মতো খরাপ্রবণ অঞ্চলের জন্য ‘সুভাষিণী’, ‘লছমন্তি’ ও ‘মুসাফির’ নামে তিনটি প্রজাতি রয়েছে, যা খরিফ মরসুমে হেক্টর প্রতি ৫২ থেকে ৫৫ কুইন্টাল ফলন দিতে সক্ষম।এবার রেল নেটওয়ার্কে নামছে ৮০০ বন্দে ভারতের বিশাল বাহিনী, বিরাট আপডেট রেলের... দক্ষিণবঙ্গের দক্ষিণের কয়েকটি জেলায় বর্ষার বন্যা হয়ে থাকে। প্রতি বছরই ফলবার আগে তৈরি ধানজমি বন্যার জলে পচে যায়। সেই সব ডুবন্ত জমির জন্যও একটি ধানের প্রজাতি তৈরি করেছে রাজ্যের কৃষি দফতর। মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, দক্ষিণবঙ্গের বন্যাপ্রবণ এলাকার জন্য ‘ইরাবতী’ নামে একটি প্রজাতি উদ্ভাবন করা হয়েছে। দীর্ঘক্ষণ জলমগ্ন অবস্থায় নষ্ট হয় না এবং ঝড়ে হেলে পড়ে না ওই ধান। এই চারটিকে ধরে, ২০১১ সাল থেকে এ পর্যন্ত রাজ্য সরকার কৃষকদের সুবিধার্থে গবেষণার মাধ্যমে মোট ২৫টি নতুন ফসলের প্রজাতি তৈরি করল, যার মধ্যে ১৫টিই ধানের ভ্যারাইটি। (দেশ, দুনিয়া, রাজ্য, কলকাতা, বিনোদন, খেলা, লাইফস্টাইল স্বাস্থ্য, প্রযুক্তির টাটকা খবর, আপডেট এবং ভিডিয়ো পেতে ডাউনলোড-লাইক-ফলো-সাবস্ক্রাইব করুন আমাদেরBJP President Nitin Nabin: নরেন্দ্র মোদীর নতুন বস নিতিন, কে এই ৪৫ বছরের তরুণ..রাজ্যFull Scorecard →কলকাতাখেলারাজ্যকলকাতাদুনিয়া
Mamata Banerjee New Rice Variety
