India Trishul Exercise 2025: খাস স্যর ক্রিকেই ভারতের ত্রিশূল তাণ্ডব! ২৮ হাজার ফুটে সেনার ভয়ংকর খেলা, থরহরিকম্প পাকিস্তান ভয়েই...

Trishul Exercise 2025 News

India Trishul Exercise 2025: খাস স্যর ক্রিকেই ভারতের ত্রিশূল তাণ্ডব! ২৮ হাজার ফুটে সেনার ভয়ংকর খেলা, থরহরিকম্প পাকিস্তান ভয়েই...
India Trishul ExerciseTrishul India ExerciseTrishul Exercise Explained
  • 📰 Zee News
  • ⏱ Reading Time:
  • 523 sec. here
  • 15 min. at publisher
  • 📊 Quality Score:
  • News: 229%
  • Publisher: 63%

Rattled Pak restricts airspace ahead of India Trishul Exercise 2025 near Sir Creek

India Trishul Exercise 2025 : খাস স্যর ক্রিকেই ভারতের 'ত্রিশূল' তাণ্ডব! ২৮ হাজার ফুটে সেনার ভয়ংকর খেলা, থরহরিকম্প পাকিস্তান ভয়েই. India Trishul Exercise 2025 : বিতর্কিত স্যর ক্রিকে এবার ভারতের 'ত্রিশূল' তাণ্ডব! ২৮ হাজার ফুটে ভারতীয় সেনার ভয়ংকর খেলা। থরহরিকম্প পাকিস্তান ভয়েই.

India Trishul Exercise 2025: খাস স্যর ক্রিকেই ভারতের 'ত্রিশূল' তাণ্ডব! ২৮ হাজার ফুটে সেনার ভয়ংকর খেলা, থরহরিকম্প পাকিস্তান ভয়েই... India Trishul Exercise 2025: বিতর্কিত স্যর ক্রিকে এবার ভারতের 'ত্রিশূল' তাণ্ডব! ২৮ হাজার ফুটে ভারতীয় সেনার ভয়ংকর খেলা। থরহরিকম্প পাকিস্তান ভয়েই...ভারতীয় সেনা তৈরি বার্ষিক 'ত্রিশূল' তাণ্ডব করতে । পাকিস্তানের পশ্চিম সীমান্তে একসঙ্গে ত্রি-সেবা যুদ্ধ মহড়া সারবে সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী এবং বিমানবাহিনী। প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং স্যর ক্রিক অঞ্চলের কাছে পাকিস্তানের সামরিক উপস্থিতি সম্পর্কে সতর্ক করার কয়েকদিন পরেই এই মহড়া শুরু হচ্ছে। ৩০ অক্টোবর থেকে ১০ নভেম্বর পর্যন্ত ভারতীয় সেনা তাদের ভয়ংকর শক্তির আস্ফালন দেখাবে। এই ১১ দিন মহড়া চলাকালীন রাজস্থান ও গুজরাট সীমান্তের আকাশসীমা এড়িয়ে চলার জন্য সমস্ত বিমানকে নির্দেশ দিয়ে ভারত নোটাম জারি করেছে।ভারত নোটাম জারি করতেই হাঁটু কেঁপে গিয়েছে পাকিস্তানের। থরহরিকম্প শত্রুদেশ ভয়েই তড়িঘড়ি নিয়েছে পদক্ষেপ। পাকিস্তান স্পষ্টতই উদ্বিগ্ন। তারা মধ্য ও দক্ষিণাঞ্চল জুড়ে বেশ কয়েকটি বিমান রুট সীমিত করেছে। এবং এই সময়টি একেবারেই কাকতালীয় নয়। পাকিস্তান আনুষ্ঠানিকভাবে ব্যাখ্যা করেনি যে, কেন তারা ২৮-২৯ অক্টোবরের জন্য নোটাম জারি করেছে, সামরিক বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন যে, এটি সরাসরি ভারতের বিশাল শক্তি প্রদর্শনের সঙ্গে সম্পর্কিত। কেউ কেউ মনে করছেন যে, পাকিস্তান হয়তো এর প্রতিক্রিয়ায় নিজস্ব সামরিক মহড়া সারবে। বা ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষাও করতে পারে। যাই হোক, উত্তেজনা কিন্তু স্পষ্ট। ভারত সাম্প্রতিক বছরগুলিতে পাকিস্তান সীমান্তের কাছে বৃহত্তম সামরিক মহড়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে। ইসলামাবাদ উদ্বিগ্ন ভাবে যার দিকে তাকিয়ে আছে।ভারতের ত্রিশূল মহড়া স্যার ক্রিক অঞ্চলের কাছে অনুষ্ঠিত হবে, যা অত্যন্ত সংবেদনশীল সীমান্ত এলাকা। উভয় দেশই স্যার ক্রিককে নিজেদের বলে দাবি করে। এটি কোনও নিয়মিত মহড়া নয়। প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ড্যামিয়েন সাইমনের অধ্যয়ন করা উপগ্রহ চিত্র অনুসারে, মহড়ার জন্য চিহ্নিত আকাশসীমা ২৮০০০ ফুট পর্যন্ত বিস্তৃত। যেখানে বাণিজ্যিক বিমানগুলি ৩,০০০ থেকে ৩৫,০০০ ফুট উচ্চতায় উড়ে যায়। সাম্প্রতিক বছরগুলিতে ভারতের বৃহত্তম যৌথ সামরিক অভিযানগুলির মধ্যে একটি হবে ত্রিশূল মহড়া। এই উচ্চতা বলে দিচ্ছে যে মহড়ায় কেবল স্থল বা সমুদ্র মহড়া নয়, যুদ্ধবিমান, ড্রোন এবং ক্ষেপণাস্ত্র সহ বড় বিমান অভিযানও জড়িত। এই বিরাট পরিধি এবং অবস্থানই ইঙ্গিত দিচ্ছে যে, এতে বৃহৎ আকারের কমব্যাট সিমুলেশন এবং উন্নত অস্ত্র পরীক্ষাও জড়িত থাকবে।ত্রিশূল মহড়ায় কেন পাকিস্তান এত উদ্বিগ্ন, তা বোঝার জন্য, স্যার ক্রিক সম্পর্কে আগে জানা দরকার। গুজরাতের কচ্ছের রণের জলাভূমিতে অবস্থিত, স্যর ক্রিক অঞ্চলের শান্ত জোয়ারের মোহনা আবারও ভারত-পাকিস্তান উত্তেজনায় অশান্ত। রাজনাথ সিং ইসলামাবাদকে কড়া ভাষার হুঁশিয়ারি দিয়ে জানিয়ে দিয়েছেন যে, এই অঞ্চলে পাকিস্তান ক্রমাগত আগ্রাসন দেখালে, ভারত এবার বুঝিয়ে দেবে কত ধানে কত চাল। ভারত একেবারে ইতিহাস-ভূগোল ভুলিয়ে দেবে। চলতি বছর দশেরা উপলক্ষে ভুজের কাছে লাক্কি নালা মিলিটারি গ্যারিসনে ছিলেন রাজনাথ। সেনাঘাঁটিতে জওয়ানদের সঙ্গে বিশেষ দিন উদযাপনের পাশাপাশি 'শস্ত্র পুজো'ও করেছিলেন তিনি। সেখানে দাঁড়িয়েই সাত দশকেরও বেশি সময় ধরে চলমান সীমান্ত বিরোধের কড়া দাওয়াই দিয়েছেন রাজনাথ।'মনে রাখা প্রয়োজন যে, ১৯৬৫ সালের যুদ্ধে ভারতীয় সেনা লাহোরে পৌঁছেছিল। আর ২০২৫ সালে পাকিস্তানের মনে রাখা উচিত যে, করাচির রাস্তাটি স্যার ক্রিকের মধ্য দিয়ে গিয়েছে।' রাজনাথ অভিযোগ করেন যে, পাকিস্তান স্যার ক্রিক ইস্যুকে জিইয়ে রাখার জন্য কুৎসা রটাচ্ছে। রাজনাথের সংযোজন, 'স্বাধীনতার এত বছর পরেও স্যর ক্রিকের উপর সীমান্ত সমস্যা উত্থাপিত হচ্ছে। ভারত এই সমস্যা সমাধানের জন্য বেশ কয়েকবার কূটনৈতিক ভাবে চেষ্টা করেছে। কিন্তু পাকিস্তানের কু-উদ্দেশ্য রয়েছে। পাকিস্তান যেভাবে স্যার ক্রিক এলাকায় সামরিক অবকাঠামো স্থাপন করেছে, তাতে তাদের উদ্দেশ্য স্পষ্ট। যদি পাকিস্তান স্যর ক্রিক এলাকায় কোনও দুষ্কর্মের চেষ্টা করে, তাহলে আমরা এতটাই কঠোর প্রতিক্রিয়া জানাব যে, ইতিহাস এবং ভূগোল উভয়ই বদলে যাবে। লেহ থেকে স্যার ক্রিক অঞ্চল পর্যন্ত ভারতের প্রতিরক্ষা সীমানা ভেদ করার চেষ্টা করেছিল পাকিস্তান। কিন্তু ভারতীয় বাহিনীর দ্রুত এবং কার্যকর পাল্টা পদক্ষেপ কেবল পাকিস্তানের বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার দুর্বলতাই প্রকাশ করেনি, বরং বিশ্বকে স্পষ্ট বার্তাও দিয়েছে যে, ভারত তার পছন্দের সময়, স্থান এবং পদ্ধতিতে বড় ক্ষতি করতে পারে।স্যার ক্রিক, মূলত বান গঙ্গা,ভারত ও পাকিস্তানের সীমান্তে সিন্ধু নদী বদ্বীপের জনশূন্য জলাভূমিতে ৯৬ কিলোমিটার দীর্ঘ জোয়ারভাটাযুক্ত মোহনা বা খাঁড়ি। খাঁড়িটি আরব সাগরে প্রবাহিত হয় এবং ভারতের গুজরাত রাজ্যকে পাকিস্তানের সিন্ধু প্রদেশ থেকে পৃথক করে। আপাতদৃষ্টিতে জনশূন্য ভূদৃশ্য সত্ত্বেও, মোহনাটি কয়েক দশক ধরে বিতর্কের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে, যার মূলে রয়েছে ঔপনিবেশিক যুগের সীমানা ব্যবস্থা। এটি ব্রিটিশ রাজের প্রতিনিধি স্যার ক্রিক এর নামে নামকরণ করা হয়। এই জলাভূমিটি রাসেলের ভাইপার এবং কাঁকড়াবিছেদের আবাসস্থল, যা সীমান্ত সৈন্যদের জীবনকে কঠিন করে তোলে। জুন থেকে সেপ্টেম্বরের মধ্যে বর্ষা মৌসুমে, খাঁড়িটি তার তীরে প্লাবিত হয় এবং তার চারপাশে নীচু লবণাক্ত সমতল ভূমিকে আবদ্ধ করে। শীত মৌসুমে, এই অঞ্চলে ফ্ল্যামিংগো এবং অন্যান্য পরিযায়ী পাখির আবাস হয়ে ওঠে।স্যর ক্রিকে সংঘাতের সূত্রপাত সেই ১৯০৮ সালে। যখন কচ্ছ ও সিন্ধুর শাসকরা খালের তীরে কাঠের স্তূপ নিয়ে বিবাদে জড়িয়েছিল। বিষয়টি বোম্বের ব্রিটিশ প্রশাসন গ্রহণ করে, যা ১৯১৪ সালে এক প্রস্তাব জারি করে। তবে ছয়ের দশকে আবার মতবিরোধ আবার দেখা দেয়। ১৯৬৫ সালে ধারাবাহিক সশস্ত্র সংঘর্ষের পর, পাকিস্তান কচ্ছের রানের ২৪তম সমান্তরাল বরাবর বিস্তৃত অঞ্চলের উপর দাবি করে, যেখানে ভারত দাবি করে যে সীমান্তটি আরও উত্তরে অবস্থিত। বিষয়টি ভারত-পাকিস্তান পশ্চিম সীমান্ত মামলা ট্রাইব্যুনালের কাছে পাঠানো হয়, যা ১৯ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৮ সালে তার রায় প্রদান করে। ট্রাইব্যুনাল ভারতের প্রায় ৯০ শতাংশ দাবি বহাল রাখে, কেবলমাত্র ছোট ছোট এলাকা পাকিস্তানকে ছেড়ে দেয়। যদিও কচ্ছের রণের বেশিরভাগ অংশ নিষ্পত্তি করা হয়েছিল। স্যর ক্রিককে রায় থেকে বাদ দেওয়া হয়েছিল, যার ফলে এটি অমীমাংসিত ছিল।১৯১৪ সালের প্রস্তাবের বিভিন্ন ব্যাখ্যা থেকে স্যর ক্রিকের অমীমাংসিত অবস্থা উদ্ভূত হয়েছে। পাকিস্তান জোর দিয়ে বলেছে যে, সীমানাটি খাঁড়ির পূর্ব তীরে স্থির করা উচিত, যা সমগ্র চ্যানেলের উপর তাদের নিয়ন্ত্রণ দেয়। অন্যদিকে, ভারত যুক্তি দেয় যে, একই প্রস্তাবে থালওয়েগ নীতি প্রয়োগ করা হয়েছিল - যা নাব্য জলপথের মধ্য-প্রবাহ বরাবর সীমানা স্থাপন করে। ভারত ১৯২৫ সালের মানচিত্র এবং মধ্য-প্রবাহ স্তম্ভের উপস্থিতির সাথে তার দাবি সমর্থন করে। পাকিস্তান পাল্টা বলে যে, থালওয়েগ নীতি কেবল নদীর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য, স্যার ক্রিকের মতো জোয়ার-ভাটার মোহনার ক্ষেত্রে নয়। আরেকটি জটিল কারণ হল খালের পরিবর্তনশীল গতিপথ, কারণ জোয়ার-ভাটার প্রবাহ সময়ের সাথে সাথে এর নাব্য চ্যানেলগুলিকে পরিবর্তন করে। এটি সরাসরি সামুদ্রিক সীমানা এবং আরব সাগরে এক্সক্লুসিভ ইকোনমিক জোনস এর সীমানা নির্ধারণকে প্রভাবিত করে।যদিও স্যর ক্রিকের প্রত্যক্ষ সামরিক গুরুত্ব সীমিত, তবুও এটি বিশাল অর্থনৈতিক ও কৌশলগত গুরুত্ব বহন করে। স্যর ক্রিকের চারপাশের জল এবং সমুদ্রতল তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাসে সমৃদ্ধ বলে মনে করা হয়। খালটি যে নিয়ন্ত্রণ করে সে ইইজেড সীমানা নির্ধারণে প্রভাব ফেলতে পারে, যা সমুদ্রে ২০০ নটিক্যাল মাইল বিস্তৃত এবং একটি দেশকে সামুদ্রিক ও জ্বালানি সম্পদ শোষণের সুযোগ করে দেয়। হাইড্রোকার্বনের বাইরে খালটি মৎস্য ক্ষেত্রেও ভূমিকা পালন করে। গুজরাত এবং সিন্ধুর হাজার হাজার জেলে তাদের জীবিকা নির্বাহের জন্য এই জলের উপর নির্ভর করে। তবে,স্পষ্টভাবে চিহ্নিত সামুদ্রিক সীমানার অনুপস্থিতি প্রায়শই তাদের বিতর্কিত অঞ্চলে নিয়ে যায়। তীব্র জোয়ারের স্রোত এবং বাতাস, ছোট নৌকাগুলির জন্য অদৃশ্য সীমানা নির্ধারণ করা প্রায় অসম্ভব করে তোলে। ফলস্বরূপ, উভয় পক্ষের জেলেদের নিয়মিত ভাবে আটক করা হয়। প্রায়শই আনুষ্ঠানিক বিনিময়ের মাধ্যমে মুক্তি পাওয়ার আগে বছরের পর বছর জেলে কাটাতে হয়। আন্তর্জাতিক আইনে ন্যূনতম জরিমানা এবং ক্রু এবং জাহাজ উভয়ের মুক্তির কথা বলা হয়েছে, কিন্তু বাস্তবে, নৌকাগুলি সাধারণত বাজেয়াপ্ত করা হয়, যার ফলে জেলেরা অর্থনৈতিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে।প্রতিরক্ষামন্ত্রক স্পষ্ট করে জানিয়েছ, ত্রিশূল ভারতের তিন সেনার সম্মিলিত মহাশক্তি এবং নিখুঁত সমন্বয় প্রদর্শনের জন্য তৈরি। এটি কেবল সামরিক শক্তি প্রদর্শনের জন্য নয়। এই মহড়া ভারতের আত্মনির্ভরতার ক্রমবর্ধমান নীতিকেও তুলে ধরে। ভারত প্রমাণ করতে চায় যে, তার সশস্ত্র বাহিনী বিদেশি সরঞ্জামের উপর নির্ভর না করে স্বদেশি প্রযুক্তি, দেশীয় অস্ত্র এবং ভারতীয় কৌশল ব্যবহার করে স্বাধীন ভাবে কাজ করতে পারে। সাউদার্ন কমান্ডের সৈন্যরা এই মহড়ায় অংশগ্রহণ করবে, কল্পনাতীত কঠিনতম কিছু ভূখণ্ডে যুদ্ধ করার ক্ষমতার পরীক্ষা সারবে। এই মহড়ায় খাল এবং মরুভূমি অঞ্চলে আক্রমণাত্মক অভিযান, সৌরাষ্ট্র উপকূলে উভচর অবতরণ এবং স্থল, সমুদ্র এবং বিমান শক্তি একসঙ্গে একত্রিত করে বহু-ক্ষেত্রে অভিযান অন্তর্ভুক্ত থাকবে। এটিকে বাস্তব যুদ্ধের জন্য পূর্ণাঙ্গ মহড়া হিসাবেই ভাবা হচ্ছে। এই মহড়ায় তিন বাহিনী দলগত কাজ এবং যোগাযোগ উন্নত করার জন্য যৌথ অভিযান অনুশীলন করে। সৈন্যরা যুদ্ধক্ষেত্রের মহড়ার মধ্য দিয়ে যায় - আক্রমণ, প্রতিরক্ষা এবং উদ্ধার অভিযান অনুশীলন। নতুন অস্ত্র, ক্ষেপণাস্ত্র, ড্রোন এবং প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা বাস্তবসম্মত পরিস্থিতিতে পরীক্ষা করা হয়। নৌবাহিনী এবং সেনাবাহিনী উভচর অভিযান অনুশীলন করে, উপকূলীয় যুদ্ধের সময় কীভাবে তারা জাহাজ থেকে সৈন্য এবং যানবাহনকে প্রতিকূল সৈকতে অবতরণ করবে তার অনুকরণ করে। ইতিমধ্যে, বিমান বাহিনী বিমান সহায়তা প্রদান করে, আক্রমণ পরিচালনা করে এবং স্থল সেনাদের সাহায্য করার জন্য নজরদারি মিশন পরিচালনা করে। লজিস্টিক দলগুলি পরীক্ষা করে যে তারা কত দ্রুত সৈন্য, জ্বালানি, গোলাবারুদ এবং সরঞ্জাম সামনের সারিতে স্থানান্তর করতে পারে। জরুরি প্রতিক্রিয়া মহড়ার মধ্যে রয়েছে আহত সৈন্যদের উদ্ধার করা, ক্ষতিগ্রস্ত সিস্টেম মেরামত করা এবং শত্রুর আকস্মিক আক্রমণের প্রতিক্রিয়া জানানো।এই সমস্ত কিছুই ভারতের বাহিনীকে যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত থাকতে, দুর্বলতাগুলি সনাক্ত করতে এবং তাদের সমন্বয়কে উন্নত করতে সহায়তা করে যাতে তারা যেকোনো জাতীয় নিরাপত্তা হুমকির দ্রুত এবং সিদ্ধান্তমূলকভাবে প্রতিক্রিয়া জানাতে পারে।ত্রিশূল মহড়া কেবল সামরিক প্রস্তুতির চেয়েও বেশি কিছুর প্রতিনিধিত্ব করবে। এটি ভারতের ক্রমবর্ধমান আত্মবিশ্বাস এবং সক্ষমতার একটি বিবৃতি। বিতর্কিত সীমান্ত এলাকার কাছে এত বিশাল মহড়া পরিচালনা করে ভারত দেখিয়ে দিচ্ছে যে তারা আঞ্চলিক বিরোধ থেকে পিছু হটবে না। তিনটি বাহিনীর সকলকে জড়িত করে এবং দেশীয় প্রযুক্তি পরীক্ষা করে ভারত প্রমাণ করছে যে প্রতিরক্ষা সরঞ্জামের জন্য বিদেশি মিত্রদের উপর নির্ভর না করেই তারা নিজের পায়ে দাঁড়াতে পারে। পাকিস্তানের জন্য বার্তাটি জোরাল এবং স্পষ্ট- ভারত প্রস্তুত, সক্ষম এবং পূর্ণ শক্তির সঙ্গে তার স্বার্থ রক্ষা করবে। সীমাবদ্ধ আকাশসীমা, নার্ভাস নোটাম এবং সীমান্ত জুড়ে বর্ধিত সতর্কতা - সবকিছুই একটি জিনিসই নির্দেশ করে - পাকিস্তান জানে ভারতের মানে।(দেশ, দুনিয়া, রাজ্য, কলকাতা, বিনোদন, খেলা, লাইফস্টাইল স্বাস্থ্য, প্রযুক্তির টাটকা খবর, আপডেট এবং ভিডিয়ো পেতে ডাউনলোড-লাইক-ফলো-সাবস্ক্রাইব করুন আমাদেরবলতে বলতে গোওওওল... থেকে বোলারের মাথার উপর দিয়ে তুলে ছয়! মূলত ক্রীড়া সাংবাদিকতায়, তবুও বিনোদন থেকে বিজ়নেস, সর্বত্র কলম-ক্যামেরায় বিচরণ। ২০১১ সালে সাংবাদিকতার বাইশ গজে ডেবিউ। প্রিন্ট-টিভি-ডিজিটাল, তিন ফরম্যাট মিলিয়ে ১৪ বছরের চলমান ইনিংস। লিখতে লিখতে কাট যায়ে রাস্তে...এমনই ভাবনা আজীবন শিক্ষানবিশের...Deganga Murder: ভাতের থালায় 'রক্তের ছাপ'! দেগঙ্গায় 'রহস্যে মোড়া' হত্যাক...Raipur Incident: 'বিয়ের দশ মাসে ১০ দিনও সুখী ছিলাম না, এই অত্যাচার আমি আর নিতে পারছি না...Maharashtra Shocker: হাতের পর মিলল ৪ পাতার সুইসাইড নোট! এক সাংসদও... আরও 'বড় বোমা...রাজ্যরাজ্যEast Bengal Super Cup 2025-26: সুপার কাপের শুরুতেই বড় ধাক্কা ইস্টবেঙ্গলের, বিদেশিহীন ডেম্পো...রাজ্য

We have summarized this news so that you can read it quickly. If you are interested in the news, you can read the full text here. Read more:

Zee News /  🏆 7. in İN

India Trishul Exercise Trishul India Exercise Trishul Exercise Explained Ex Trishul 2025 Notam For Exercise

 

United States Latest News, United States Headlines

Similar News:You can also read news stories similar to this one that we have collected from other news sources.

இந்தியா vs ஆஸ்திரேலியா 3வது ஒருநாள் போட்டி மழையால் பாதிக்குமா?இந்தியா vs ஆஸ்திரேலியா 3வது ஒருநாள் போட்டி மழையால் பாதிக்குமா?India vs Australia 3rd ODI 2025: இந்தியா vs ஆஸ்திரேலியா 3வது ஒருநாள் போட்டி நடக்கும் சிட்னி மைதானத்தின் வானிலை மற்றும் நேரடி ஒளிபரப்பு விவரங்கள் தெரிந்து கொள்ளுங்கள்
Read more »

CBSE Single Girl Child Scholarship 2025: छात्राओं के लिए आवेदन का एक और मौका, अब इस तारीख तक करें रजिस्ट्रेशनCBSE Single Girl Child Scholarship 2025: छात्राओं के लिए आवेदन का एक और मौका, अब इस तारीख तक करें रजिस्ट्रेशनCBSE Single Girl Child Scholarship 2025 Registration: सीबीएसई ने सिंगल गर्ल चाइल्ड स्कॉलरशिप 2025 के लिए रजिस्ट्रेशन की लास्ट डेट को 23 अक्टूबर, 2025 से बढ़ाकर 20 नवंबर, 2025 कर दिया है.
Read more »

Womens World Cup 2025: धक्कादायक! वर्ल्ड कप संघातील दोन महिला क्रिकेटर्स सोबत इंदोरमध्ये छेडछाडWomens World Cup 2025: धक्कादायक! वर्ल्ड कप संघातील दोन महिला क्रिकेटर्स सोबत इंदोरमध्ये छेडछाडWomens World Cup 2025 : आयसीसी महिला वर्ल्ड कप 2025 स्पर्धा भारतातील विविध शहरांमध्ये खेळवली जात आहे. अशातच इंदोरमध्ये एक धक्कादायक घटना घडली.
Read more »

Airspace Shut, Generals Trembling, Pakistan Frozen: Terrified Islamabad Braces For Indias Tri-Service Exercise TrishulAirspace Shut, Generals Trembling, Pakistan Frozen: Terrified Islamabad Braces For Indias Tri-Service Exercise TrishulExercise Trishul, a massive tri-services war drill that has sent shockwaves across the border and forced Islamabad to shut down multiple air routes in its central and southern airspace.
Read more »

सीबीएसई सिंगल गर्ल चाइल्ड स्कालरशिप के लिए बढ़ा Date, ऐसे करें आवेदनसीबीएसई सिंगल गर्ल चाइल्ड स्कालरशिप के लिए बढ़ा Date, ऐसे करें आवेदनसीबीएसई ने सिंगल गर्ल चाइल्ड स्कॉलरशिप 2025 के लिए आवेदन की अंतिम तिथि 20 नवंबर 2025 तक बढ़ा दी है। योग्य छात्राएं सीबीएसई की वेबसाइट cbse.gov.
Read more »

Why Pakistans Generals Are Sleepless, Terrified by Indias Mega War DrillsWhy Pakistans Generals Are Sleepless, Terrified by Indias Mega War DrillsIndia has unleashed its most massive military exercise ever along the Pakistan border, a war game so enormous, so unprecedented, that it has transformed Pakistans fears into terrifying reality.
Read more »



Render Time: 2026-04-02 15:22:13